মুঠোভর্তি ভালোবাসা

এই, চলো বৃষ্টিতে ভিজি… রোদে ঝলসাই… মাঝ রাতে জোছনা মাখি নিশ্চুপে … চাঁদের রূপালি আলোয়.. বর্ণমালা, তোমার রূপের উপমায় ভাসি…
তোমাতে ছুয়ে দেখি.. বাস্তবতার স্বপ্নে হারাই..
শ্বাস-প্রশ্বাসের গভীরতা মাপি… আর মিশে যাই তোমার বিলিয়ন নিউরনদের ভীড়ে… হিমোগ্লোবিন হয়ে তোমার রক্তে হাবুডুবু খাই..

এই চলো…
হাতে হাত রেখে… কাঁধে মাথা চেপে.. তারার মেলায় হারিয়ে যাই… তোমার স্পর্শে আমার শরীরে কাপুনি দিয়ে জ্বর আসুক… কাঁপা কাঁপা কন্ঠে ভালোবাসি বলতে চাই…

চলো, ভর সন্ধায় হাতে কয়েল নিয়ে ফুসকার দোকানে ভিড় জমাই… জানো, হালকা বাতাসে তোমার উড়ে আসা চুলের ঘ্রাণ খুব পেতে ইচ্ছে হয়…
এই, তুমি কি বুঝতে পারো… ? কতটা অনুভব করি তোমায়…!!!

তুমি কি জানো… তোমার আড় চোখে তাকানোটা বড্ড পোড়ায়… ভেতরটায় ঝড়ের তান্ডবে সব চূরমার হয়ে যায়…

এই চলোনা… মাঝরাতে গ্রামবাংলার মেঠোপথে হেঁটে বেড়াই… যে পথের দু’ধারে থাকবে শুধু হিজল বিল… আর পদ্মের মেলা… সে পথের থাকবে না কোন সীমা… অনন্তকাল ধরে আমরা হেঁটেই যাবো… হাতে হাত কিংবা কাধে মাথা… আকাশে থাকবে তখন ভরা জোছনা… এই রাতের কোন শেষ নেই… সকাল আসবে না কখনোই… যদি চাও মেঘলা আকাশ হয়ে ঝুম বৃষ্টি হয়েও ঝরতে পারি…

চলোনা… গহীন অরন্যে পড়ন্ত বিকেলে ঝিঁঝিঁ হয়ে ডাকি… গোধূলিক্ষণে জোনাকির আলো মাখি…

চলো… হারিয়ে যাই.. সবকিছু থেকে দূরে.. বহু দূরে.. স্পর্শের বাহিরে… যেখানে ভালোবাসি বলার পর হৃদয় কম্পনের শব্দটাও প্রতিধ্বনি হয়ে ভেসে বেড়াবে নিরমল বাতাসে… স্বর্গ – নরকেরও ছোঁয়ার বাহিরে… নির্জনতার বেড়াজালে ঘেরা আমাদের চিরচেনা কুটিরে…।

Advertisements

ভালোবাসি তোমায়

বর্নমালা, আজকের জোছনা দেখেছো????
খুব যে সখ ছিলো, আজ সারাটা রাত তোমায় বুকের সাথে জড়িয়ে জোছনায় ভিজবো… আর স্বপ্নগুলোকে রং মাখাবো… আমাদের কুটিরে ঠিকরে পড়বে মায়াবী জোছনা…
আলতো করে চুমু খাবো তোমায়… রাজা-রানি, পরি , রূপকথার গল্প শোনাবো তোমায়… তুমি অবাক হয়ে তাকিয়ে থাকবে আমার পানে… আমি মুগ্ধ হয়ে দেখবো আমার নীলাঞ্জনা কে…
এই বর্নমালা তুমি ঘুমিয়ে পড়েছো… ???
চাঁদের আলোয় তোমায় কি অদ্ভুত সুন্দর লাগে তুমি জানো??? তোমার ঐ মুখের দিকে তাকিয়ে আমি পুরোটা জীবন পার করে দিতে পারবো… তুমি তো জানোই আমার নীল চোখ পছন্দ… কিন্তুু তোমার ঐ চোখঁ কতটা ভয়ঙ্কর সুন্দর… তা তুমি কখনো কল্পনাও করতে পারবে না.. এই চোখের নেশায় আমার জীবনটা পার হয়ে যাবে নিমিষেই… ভালোবাসি তোমায় তিলোত্তমা… আমর শরীরের প্রতিটি শিরায় শিরায় তুমি বহমান… তোমাতে মিশে আমি বিলীন হয়ে গেছি… তুমি অনুভব করতে পারো কিনা জানিনা আমি… তবে আমার সবকিছুতেই মিশে আছো তুমি…
ঠিক কতটা ভালোবাসি তা হয়তো কখনো বোঝাতে পারবো না আমি… তুমি বলেছিলে আমি তোমার বৃত্তের কেন্দ্র হয়ে আছি… জানিনা আমি কেন্দ্র হওয়ার যোগ্যতা রাখি কিনা…. তবে ঐ বৃত্তের পরিধি আমার হয়ে গেছে সারাজীবনের জন্য…
জীবনের পাওয়া না পাওয়ার হিসেবটায় বরাবরই আমার না পাওয়াটাই বোধহয় বেশী ছিলো… তবে তোমায় পাওয়ার পর সব হিসেব সব অংক পাল্টে গেছে… যেই আমার কাছে বেচেঁ থাকাটা ছিলো শুধু মাত্র সময়ের প্রয়োজন… আজ মনে হচ্ছে তোমার জন্য আমি বেঁচে থাকতে চাই… তোমায় নিয়ে বেঁচে থাকতে চাই.. হাজারটা জনম…
তোমায় ভালোবেসে বুকে সাহস বাড়ে, মনে আশা জাগে… হৃদয় কম্পিত হয়… স্বপ্নগুলোতে সত্যি করার ইচ্ছে জাগে… তাতে রং মাখাতে সাধ হয়… তোমাতেই বাঁচতে ইচ্ছে হয়… তোমাতেই হারাতে ইচ্ছে হয়… তোমায় ভালোবেসে নিজেকে জানতে ইচ্ছে হয়… তুমি সকল উপমার উর্ধ্বে… তোমার বুকে মাথা রেখে স্বর্গে হারাতে ইচ্ছে হয়… ভালোবাসি তোমায়…
কথা দিলাম জীবনের অন্তিমলগ্ন পর্যন্ত জড়িয়ে রাখবো তোমায়… ভালোবেসেই যাবো তোমায়… তুমি চাও কিংবা না চাও…. 😊

বলা হয়নি ভালোবাসি

দুমুঠো সন্ধায় তুমি এক নিরেট – প্রজাপতি
এক বালিশে ঘুমিয়ে কাটানো বিকেল
মাঝরাতের নিশ্বাসে ছুড়ে ফেলা অহংকার
চেনা জানা চির অচেনা মুখে ঝিঁঝিঁ ডাকা ভর সন্ধা
কাক ডাকা সকালে মেঠো পথে হারানো সুর

আবছা আলোতে নিরন্তর হেটে চলা রক্তকবরী
বালুচরের লাল কাঁকড়া বা পাথুরে ফুল
সখের বশে আকাঁ সপ্তবর্নে তিলোত্তমার রূপে
অঝোরে কেঁদে ফেলা মায়াবীনির চোখ
অনন্তকাল ধরে চেনা সেই অচেনা মানসী

উপমার চাদরে জড়িয়ে থাকা নিরাকার.. তুমি,
সব শূন্যতার মাঝে খুজে পাওয়া পরিপূর্ণতা,
পুরোটা জুড়ে মিশে যাওয়া কোন এক সত্তা…
চাইলেও তাকে ভালোবাসতে পারবো না আমি
কেননা আমি তো ভর জোছনায় হারানোতে বিশ্বাসী…

সাইকোপ্যাথের কক্ষপথ vol-1

আচ্ছা, ধরুন আপনি নিজেই নিজের বন্ধু… এখন যদি বলা হয় আপনার এই বন্ধুকে একটি রেটিং দিতে হবে ১০ এর মধ্যে.. তবে আপনি তাকে কত দিবেন ?

একটা সাইকোলোজিকাল রিসার্চের জন্য প্রশ্নটা করা হয়েছিল সর্বোমোট ১০০ জনকে… যাদের মধ্যে বয়স, লিঙ্গ ও আর্থ-সামাজিক অবস্থারও বেশ ভ্যারাইটি ছিল।

প্রশ্নটা সচারচর স্বাভাবিক প্রশ্নই বটে তবে এর থিমটা কিছুটা ভিন্ন ছিলো…
এই সার্ভের মূল উদ্দেশ্য ছিলো – ব্যক্তি নিজের কাছে নিজে কতটা পছন্দের কিংবা বিচার প্রবনতার ক্ষেত্রে সে কতটা দক্ষ … সে নিজের কাছে নিজে কতটা সঠিক.. কতটা ভুল … তার চিন্তা..তার পছন্দ তার কাছে কতটা গ্রহনযোগ্যতা পায় তা অ্যানালাইসিস করা… সর্বোপরি সেলফ অ্যানালাইসিস….

এখন স্বাভাবিকভাবে কাউকে যদি প্রশ্ন করা হয়… আচ্ছা আপনি মানুষ হিসেবে কেমন? যদি বলি আপনি নিজেকে নিজে বিচার বিশ্লেষণ করে একটা রেটিং দিতে পারেন… হোক সেটা ১- ১০ এর মধ্যে…
তবে অধিকাংশদের মধ্যেই অহংবোধ চলে আসবে… তখন তাদের উত্তরগুলো হবে পুরোটাই তাদের মনগড়া… যা কিনা রিসার্চের সঠিক ফলাফল হিসেবে গন্য করা যায় না ।

এর জন্যই প্রশ্নটি ছিলো ব্যতিক্রমধর্মী স্বাভাবিক…। কেননা বন্ধু মানুষের জীবনে অন্যতম এক অপরিহার্য সত্তা। যাকে নিজের অন্যতম এক প্রতিচ্ছবি হিসেবে ধরা হয়… এর দ্বারা তাদের ভালোলাগাগুলোও বিশ্লেষণ করা যায়…।
তো এক্ষেত্রে ব্যক্তি বন্ধুর আদলে নিজেই নিজেকে বিশ্লেষণ করছে..

রিসার্চের সুবিধার জন্য এই রেটিংএর অন্তর্ভুক্তদের ৩ টি ক্যাটাগরিতে ভাগ করা হয়েছে… এখানে তুলনামূলক নেগেটিভ এবং পজেটিভ রিভিউগুলো মিক্স করে তুলে ধরা হয়েছে.. পরবর্তীতে তথা vol- 2 তে এর বিস্তারিত তুলে ধরা হবে..

ক্যাটাগরি -১
রেটিং (০-৩)

এই ধরনের মানুষগুলো ব্যক্তিজীবনে বেশ সফল হয়ে থাকে… মানুষ হিসেবে এরা খুব বেশি স্ট্রেইট কাট হয়ে থাকে.. যা কিছু বলার সরাসরি বলে…
এই রেটিং এর অর্ন্তভুক্ত মানুষগুলো যে কোন ব্যাপারেই খুব বেশি উদাসীন.. এরা কোন বিষয়ই খুব বেশী সিরিয়াসলি নেয় না.. অধিকাংশ ক্ষেত্রে এরা আপনার কথা বুঝতে পারে না কিংবা বুঝতে চায় না.. এরা অনেকটা একমুখী স্বভাবের হয়ে থাকে…
এরা তুলনামূলক রসবোধহীন এবং খুতখুতে মেজাজের হয়ে থাকে… একাকীত্বের মাত্রা এদের মাঝে বেশ লক্ষ্যনীয়…
এরা নিজেদের কাছে নিজেরা এক একটা বিরূপ প্রতিচ্ছবি..
মেন্টাল ডিপ্রেশনের মাত্রা এদের তুলনামূলক অন্যদের থেকে বেশি হয়ে থাকে… অধিকাংশ সময়ই এদের মাঝে অশান্তি, উদ্বেগ, অস্থিরতা লক্ষ্য করা যায়..
কখনো কখনো এদের মাঝে Generalized anxiety disorder লক্ষ্য করা যায় ।

ক্যাটাগরি -২
রেটিং (৪-৭)

এরা অন্যদের থেকে বেশী ভাবতে পছন্দ করে.. এদের মাঝে অতিরিক্ত বিচার বিশ্লেষণের প্রবনতা দেখা যায়…
এই ধরেনর মানুষগুলো অধিকাংশ মধ্যপন্থায় বিশ্বাসী… এরা বিচার- বিশ্লেষণে অনিশ্চয়তার নির্ভরশীল… তাই এরা সবসময় নিজেদেরকে প্রবাবিলিটির মধ্যে রাখতে পছন্দ করে.. এই ধরনের মানুষগুলো দ্বিধা-দন্দ্বে ভোগে সবথেকে বেশি মাত্রায়…
অতিরিক্ত দ্বিধা-দন্দ্বের ফলে এরা বিচার- বিশ্লেষণের দিক থেকে এক পিছিয়ে পরা জনগোষ্ঠী ।
কখনো কখনো এদের মাঝে Obsessive and compulsive disorder লক্ষ্যনীয়..

ক্যাটাগরি -৩
রেটিং (৮-১০)

এই রেটিং এর আওতাভুক্ত মানুষগুলো তুলনামূলক বেশ ইমোশনাল.. এরা বেশ আত্মবিশ্বাসী হয়ে থাকে… কর্মক্ষেত্রেও এদের সফলতা লক্ষ্যনীয়.. এদের মাঝে বেশ বন্ধুত্বপূর্ন স্বভাব লক্ষ্যনীয়…
এই ধরনের মানুষগুলো নিজেদের কাছে নিজেরা অতিরিক্তই পছন্দনীয় হয়ে থাকে.. ফলে এরা প্রচন্ড মাত্রায় সেলফ সিকনেসের দ্বারা আক্রান্ত… কখনো তা আত্ন বিকৃতির রূপও নিতে পারে…
এদের কাছে অন্যদের থেকে নিজের প্রায়োরিটিটাই সবথেকে বেশি.. এবং অতিরিক্ত মাত্রায় আত্মবিশ্বাসী হওয়ার ফলে নিজেকে বিচার বিশ্লেষণের কিংবা নিজের ভুল- ত্রুটি ধরার ক্ষেত্রে এরা বেশ অপরিপক্ব.. স্বার্থসিদ্ধি মূলক আচরণ এদের মাঝে বেশ লক্ষ্যনীয়… কখনো কখনো এদের মাঝে Personality disorder দেখা দিতে পারে..।

এই রিসার্চের জন্য ১০০ জনকে প্রশ্নটা করা হলেও ভ্যাটিয়েবলস ছিলো বেশ… ৫৯ জনকে প্রশ্নটা সরাসরি করা হয়.. সামনাসামনি থেকে এবং তাদের রিয়েল টাইম এক্সপ্রেশনও পাওয়া যায়..
২৮ জনকে বিভিন্ন মাধ্যমে করা হয় প্রশ্নটি… এদের ক্ষেত্রে রিয়েল টাইম এক্সপ্রেশন পাওয়া যায়নি তবে কিছু মন্তব্য পাওয়া গেছে…
আর বাকি ১৩ জন বিষয়টি সম্পূর্ণরূপে ইগনোর করে…
৩৭ জন প্রশ্নটা নিয়ে বেশ কৌতুহল প্রকাশ করে… এদের থেকে পাওয়া ডাটাগুলো ছিলো বেশ পিয়র..

ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায় ১২% ক্যাটাগরি -১ এর অন্তর্গত, ৩৭% ক্যাটাগরি- ২ এর অন্তর্গত এবং মেজরিটির দিক দিয়ে ৫১% ক্যাটাগরি -৩ এর অন্তর্গত…

” মানুষ পৃথিবীর সবথেকে রহস্যময়ী জীব… এদেরকে কখনোই কোনকিছু দ্বারা পরিমাপ করা সম্ভব নয়… তবে এদের আচরন পরিমাপের দ্বারা এদের সম্মন্ধে বেশ কিছু ধারনা পাওয়া সম্ভব…. তবে সে আচরন গবেষণাগারে নিয়ন্ত্রিত পরিবেশে অবাঞ্চিত প্রভাবক বাদ দিয়েই প্রকৃত ফলাফল পাওয়া সম্ভব…
তবে একটা নির্দিষ্ট জনসমষ্টির উপর সার্ভে চালনা করেও তাদের আচরনের সম্মুখ ধারনা পাওয়া সম্ভব.. এই রিসার্চের অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল এটি…
তাছাড়া শুধুমাত্র একটা প্রশ্ন দিয়ে মানুষ বিচার করা যায় না.. এক্ষেত্রে সঠিক ফলাফল পাওয়াও বেশ মুশকিল… কেননা সঠিক ফলাফল পাওয়ার জন্য ব্যক্তির ঐ সময়ের মানসিক অবস্থা সবথেকে বেশী দায়ী থাকে…
সুতরাং এখানে সর্বোপরি একটা ক্ষুদ্র প্রয়াস তুলে ধরা হয়েছে…”

বিঃদ্রঃ রিসার্চের ডাটা কালেক্ট করার ক্ষেত্রে একজন ম্যাডাম বেশ হেল্প করছে এর জন্য তার কাছে চিরকৃতজ্ঞ… ধন্যবাদ আপনাকে।

ক্যাটাগরি নিয়ে বিস্তারিত vol -2 তে প্রকাশ করা হবে… সেখানে স্পেসিফিক ভাবে পজেটিভ এবং নেগেটিভ রিভিউগুলো তুলে ধরা হবে.. ☺

মানবতার বলিদান

একদিন সমুদ্র পাড়ী দেব….
তিনশ বিঘে জমি কিনে তাতে মানবতা চাষ করব…
জমিতে কাকতাড়ুয়া লাগবে না আমার…
থাকবে কিছু আত্মসম্মানের ঝুলি…
চড়া দামে মানবতা বিক্রি হবে…
হয়ত কিছু পাওয়াও যাবে বিনামূল্যে…
তবে কড় দিতে হবে আকাশচুম্বী
কেননা মানবতা তো এখন কড়ে বিক্রি হয়
বিনামুল্যে পাওয়া কিংবা দেওয়া জিনিসের মূল্যটাই বা কোথায়…

আত্মস্বর্গীয় লালসায় কাটানো জীবন
কে না চায়? আপনি, আমি.. আরো কতজন…
তবে মানবতা না ধুত ছাই… যতসব অযথাই..

সভ্যতার ভাঁজে লুকিয়ে রাখা হয়েছে যাকে,
বিষাক্ত কার্বন মেঘ হয়ে তা ওড়ে শূন্য আকাশে..
উম্মাদ মস্তিষ্কের বিশুদ্ধ ব্যাকরনের খোঁজে,
আদি সত্ত্বারা মিলিয়ে যায় অযাচিত চিন্তার ভিড়ে..
নিকৃষ্ট রক্তের নির্যাসে তৃপ্তির হাহাকারে,
নিজের দগ্ধ মনুষ্যত্বটাকে নিজেই টেনে নিয়ে যায় অন্তিম গহ্বরে..

তবে কিছু আছে, যারা বাঁচে…
যাদের কাছে মনুষ্যত্বটাই সব কিছুর উর্ধ্বে…
প্রবাহমান আদি অনবদ্য ইতিহাস ভেঙ্গে
তারা নিজেদের আকেঁ অন্য রূপে..

তারা মানুষ কিনা জানিনা আমি…
তবে মানবতা তাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে…

এই রাতের শেষ না হোক

এই রাতের শেষ না হোক…
হাজার বছর ধরে চলতে থাকুক এই রাত…
কিছু মানুষ জেগেই থাকুক অন্তিম সূর্যোদয়ের অপেক্ষায়
বাকিসব ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিক বাকিটা সময়..
কেউ ডাকবে না.. কখনোই ডাকবে না..
ক্ষণেক্ষণে স্মৃতিভ্রম হয়ে মুছে যাবে সব..
শতাব্দী পেরিয়ে ভুলে যাক পুরনো হিসেব..

আজ রাতের শেষে সকালটা আর না ফিরুক
স্তব্ধ হয়ে যাক পৃথিবীর ঘূর্ণন গতি
ছিটকে পরুক সব মহাবিশ্বের আনাচেকানাচে
শূন্য হয়ে যাক পুরনো শূন্যতারা
তবুও আর না আসুক ভোরের আলো…

ঘুমিয়ে থাকুক সব কথা বলা সত্তাগুলো
আর জেগে থাক সব নির্বাক আত্মারা…
তারা ফিরে পাক তাদের নিশ্চুপ নির্জনতা
অনম্ত সে রাতের মাঝে অসীম সময়ে হারিয়ে যাক এরা

কিছু স্বপ্ন চলতে থাকুক এক পা দু পা করে
বাকি সব পরে থাক হাজার বছরের রাতের ভিড়ে
কেউ ডাকবে না.. কখনোই ডাকবে না..
সকাল হয়নি বলে…

লোকাল বাস ও কিছু অভিজ্ঞতা

ডার্ক চকলেট, লাইট চকলেট, ভ্যানিলা, ওরিও সেক, মিল্ক সেক, স্ট্রোবেরি… না না স্ট্রোবরি রেয়ার… কত শত কালারের মানুষের দেখা পাই লোকল বাসে… ☺
কারো কারো তো চোখে মুখে এমন বিরক্তির ছাপ যেন কেউ তার আন্ডারওয়্যার এর মধ্যে ছারপোকা ছেড়ে দিয়েছে…
কারো তো চার আঙুল কপালে আট.. দশটা করে হতাশার রেখা…
তারপর দেখা যায় মিউজিয়াম গুলোতে সুসজ্জিত মোমের মূর্তির বৈশ্বিক পরিবর্তনের মত রূপ… এলিট শ্রেনীতে এদের না জন্মানোটা আজন্ম পাপ…
কেউতো আবার ব্রাজেনটিনার মত এগ্রেসিভ… কি জানি টক দইয়ে এক চামচ জিরা সেবনেও এরা হয়ত মাথা ঠান্ডা রাখতে পারে না…

এরপর আসে আর একটা শ্রেনী… যারা কিনা দাঁত ক্যালানোর সর্বোচ্চ ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়… গুটিকয়েক দাঁত বাদে বাকি সব গুলো প্ররদর্শন করতে করতে এরা বাসে পা রাখে… এতটা খুশি হয়ত পুরো এক ঘন্টা পাব্লিক টয়লেটের সিরিয়াল শেষে সর্বোৎকৃষ্ট বিসর্জন শেষেও কোন ভদ্রলোক হয় না… যতটানা খুশি তাদের দেখা যায়… কিন্তুু সিট না পেয়ে দাড়িয়ে থাকা ঐ মানুষটাই আবার নিমিষেই গোমড়া হয়ে যায়… পৃথিবীর কি বৈচিত্রময় রূপ… 😱

সবশেষে আসে কিছু ভদ্রমহোদয় যারা কিনা অসম্ভব ম্যাগনেটিক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়… অবশ্য একটা লিমিটেড ব্যাপার আছে… এই ক্ষমতা শুধু সুন্দরী কিংবা আধা সুন্দরী নারীদের ক্ষেত্রে প্রোযজ্য… এরা যেন ঐ ভদ্রমহোদয়দেরকে চৌম্বকের মত টানে… 😖

তো খুব শিগ্রই লোকাল বাসের হেল্পার হিসেবে নিয়োগ পেতে যাচ্ছি… অজস্র মানুষ নিয়ে অ্যানালাইসিস হবে… অজস্র মুখের দেখা পাব… অবশেষে ড্রিম জব হাতের নাগালে… ☺
এইযে স্যারর, ম্যাডাম যাবেন…???
মতিঝিল
সিট আছে… কিন্তুু খালি নেই… ☺